•
উর্ধ্ব শ্বাসনালীর
সংক্রমণে সাধারণত নাক, কান, সাইনাস ও গলা আক্রান্ত হয়। স্বরযন্ত্রের সংক্রমণ ল্যারিনজাইটিস
ও কানের সংক্রমণ ওটাইটিস মিডিয়া নামে পরিচিত
•
নিম্ন শ্বাসনালীর সংক্রমণে শ্বাসনালী ও ফুসফুস আক্রান্ত
হয়। শ্বাসনালীর সংক্রমণ ফ্লু বা ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের সংক্রমণ নিউমোনিয়া এবং ব্যাকটেরিয়া
দ্বারা ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ যক্ষা নামে পরিচিত।
•
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা এলার্জি জনিত কারণে
সাইনাসের মিউকাস পর্দায় যে প্রদাহের সৃষ্টি হয় তাকেই সাইনুসাইটিস বলে।
•
ম্যাক্সিলারি সাইনাসে প্রদাহের কারণে গালে, দাতে
ও মাথায় ব্যাথা হয়। ফ্রন্টাল সাইনাসে চোখের উপরে ও মাথায় ব্যাথা হয়।
•
এথময়েড সাইনাসে দু চোখের মাঝখানে ও মাথায় ব্যাথা
হয়। স্ফেনয়েড সাইনাসে দু চোখের পিছনে ও মাথায় ব্যাথা হয়।
•
কানের ভিতরের
বা বাইরের যেকোনো অংশের প্রদাহকে ওটাইটিস বলে।
•
মধ্যকর্ণে সংক্রমণজনিত প্রদাহকে ওটাইটিস মিডিয়া বলে।
•
গলবিলের সাথে মধ্যকর্ণের সংযোগ স্থাপন করে ইউস্টেশিয়ান
নালী
•
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণে এ রোগ
হয়।
•
ধুমপায়ীদের সার্বিকভাবে ফুসফুসের আকার বড়ো হয়। অ্যালভিউলাইয়ের
সংখ্যা কমে যায় এবং স্বচ্ছতা দেখা যায় না। অ্যালভিউলাস প্রাচীরের সিলিয়া নষ্ট হয়ে যায়।
•
সিগারেটের ধোয়ায় অ্যালভিউলাসের প্রাচীরে যে ক্ষতি
হয় তার ফলে এর আয়তন বেড়ে যায় এবং কোন স্থানে ফেটে গিয়ে ফুসফুসে যে ফাকা জায়গার সৃষ্টি
হয় এ অবস্থাকে এমফাইসেমা বলে।
•
সিগারেটের ধোয়ার
CO ট্রাকিয়া ও ব্রঙ্কাসের সিলিয়াকে অবশ করে দেয়। সিলিয়া অবশ হয়ে গেলে ট্রাকিয়ায় মিউকাস
জমে যে প্রদাহের সৃষ্টি হয় তাকে ব্রঙ্কাইটিস বলে।
•
তামাকের নিকোটিনের প্রভাবে ফুসফুসীয় ঝিল্লিতে যে
প্রদাহের সৃষ্টি হয় তাকে প্লিউরিসি বলে
•
ধুমপানের ফলে ফুসফুসের বায়ুথলির প্রাচীর পুরু হয়ে
যাওয়াকে ফাইব্রোসিস বলে।
•
কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য CPR
(Cardiopulmonary resuscitation) খুব উপযোগী পদ্ধতি
•
প্রতিবার নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের সময় যে পরিমাণ বায়ু
ফুসফুসে ঢুকে বা বের হয় তাকে টাইডাল ভলিউম বা বায়ুমাত্রা বলে
Excellent.
ReplyDelete